Ithelpbd.com is Bangla Online Tech Community website.

মাহে-রমযান ১৪৩৮ হিজরী সনের সাহরী ও ইফতারের সময়সুচি

73 views
if you like please share this postShare on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0

মাহে আস্সালামু আলাইকুম,
আসাকরি সবাই ভালো আছেন,
প্রিয় টেকটিউনস এর পাঠক বন্ধুদের জানাচ্ছি মহিমান্বিত পবিত্র মাহে রমযানের অগ্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

 

আমি এই টেকটিউনস সাইটের নতুন মেম্বার, এই সাইটে একটি একাউন্ট করবো করবো কিন্তু করা হয়না সময়ের অভাবে, আজ সময় করে নিয়ে একাউন্ট করলাম, এবং সর্ব প্রথম একটি ইসলামিক টিউন নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম,

আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেট বিভাগের জন্য ২০১৭ সালের পবিত্র মাহে রমজানের সময় সুচি,
.
<b> রোযার মাহাত্ম্য এবং গুরুত্ব </b>
ইসলামী পঞ্জিকা মোতাবেক প্রতি বছর পবিত্র রমযান আসে, রমযান যায়। মুসলিম জাহানের প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ-সবল নর-নারী এ পবিত্র মাসে ইবাদতের নিয়তে সুবেহ সাদেক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বপ্রকার পানাহার এবং স্বামী-স্ত্রীর দৈহিক মিলন হতে বিরত থেকে রোযা পালন করে থাকেন। রোযার মূল উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে যেয়ে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে:
“হে যারা ঈমান এনেছ ! তোমাদের জন্য রোযা ফরয করা হলো, যেভাবে ইহা ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীগণের জন্য, যেন তোমরা তাক্ওয়া অবলম্বন করতে পার।”
(সূরাতুল বাকারাঃ ১৮৪)

প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ-সবল মুসলিম নর-নারী যাদের পবিত্র রমযান লাভের সৌভাগ্য অর্জিত হয়েছে, তাদের উচিত অবজ্ঞা-অবহেলা আর কোন প্রকার বাহানার আশ্রয় না নিয়ে রোযা রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা-প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। কেননা মানুষ মরণশীল, অতএব যে রমজান চলে যাচ্ছে তা জীবনে দ্বিতীয়বার ফিরে না আসার সম্ভাবনাই বেশি। রমযান এমন একটি মাস, যে মাসের সাথে অন্য কোন মাসের তুলনা চলে না।

<b>কুরআন করীমে বর্ণিত হয়েছে:>/b>
রমযান সেই মাস যে মাসে নাযিল হয়েছে কুরআন যা মানবজাতির জন্য হেদায়াতস্বরূপ এবং হেদায়াত ও ফুরকান (হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী) বিষয়ক সুস্পষ্ট প্রমাণাদিস্বরূপ। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে কেউ এ মাসকে পায় সে যেন এতে রোযা রাখে। (সূরাতুল বাকারাঃ ১৮৬)

রোযা মানব হৃদয়ে আল্লাহ্র প্রতি বিশ্বাস, ভক্তি ও তাক্ওয়ার মান বাড়াতে লবণ সাদৃশ্য, রোযা রোযাদারের যাবতীয় পাপ মোচন করে জান্নাত লাভের নিশ্চয়তা প্রদান করে,
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, হযরত নবী করীম (সঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি বিশ্বাসের আন্তরিকতার ও উত্তম ফল লাভের বাসনায় রমযান মাসে রোযা রাখে, তার পুর্বের সর্বপ্রকার পাপ ক্ষমা করা হবে। (বোখারী, মুসলিম)
হাদীস হতে জানা যায় যে, ‘রোযা ধৈর্যের অর্ধেক আর ধৈর্য্য ঈমানের অর্ধেক’। ইসলামী পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে রমযানের রোযা স্রষ্টার সাথে বান্দার সাক্ষাত লাভের মাধ্যম হিসেবে সর্বশ্রেষ্ঠ স্তম্ভ। আর এজন্যই রসূলে করীম (সঃ) হাদীসে কুদসীর মাধ্যমে এরশাদ করেছেন
সম্মান ও মর্যাদার প্রভু আল্লাহ্ বলেন, ‘মানুষের অন্য সব কাজ তার নিজের জন্য, কিন্তু রোযা একান্তই আমার জন্য এবং আমি এর জন্য তাকে পুরস্কৃত করব’, রোযা ঢাল স্বরূপ। তাঁর নামে বলছি যার হাতে মুহাম্মদের জীবন, রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহ্র নিকট মেশকের গন্ধের চেয়েও পবিত্র। একজন রোযাদার দু’টি আনন্দ লাভ করে, সে আনন্দিত হয় যখন সে ইফতার করে এবং রোযার কল্যাণে সে আনন্দিত হয় যখন সে তার প্রভূর সাথে মিলিত হয়। (বুখারী)

আপনার মন্তব্য আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূন । তাই আপনার মতামত দিন !!

if you like please share this postShare on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0