এস.ই.ও ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল : লেকচার-০১ | ithelpbd.com
Ithelpbd.com is Bangla Online Tech Community website.

এস.ই.ও ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল : লেকচার-০১

124 views
if you like please share this postShare on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কেউ সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহার করে একটি ওয়েব সাইটকে বিনামূল্যে সকলের কাছে পৌছে দিতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) – কে সংক্ষেপে SEO বলে। ইন্টারনেটের ব্যবহার যত বাড়ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) বা এসইও এর জনপ্রিয়তা তত বাড়ছে। অনেকে একে ফ্রিল্যান্সিং কাজ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এছাড়া যারা ব্লগ পরিচালনা করছেন তাদের ব্লগের পরিচিতি বাড়ানোর প্রয়োজন তো আছেই। ইন্টারনেটে ব্যবসা বাণিজ্য করে টিকে থাকার জন্য এসইও (SEO) এর গুরুত্ব অপরিসীম।

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে-

 

    1. একটি সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া।
    2. ওয়েব সাইটের জন্য প্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
    3. সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বৃদ্ধি করা।
    4. বিভিন্ন ধরনের অনলাইন থেকে আয় করার পণটাটফরম হিসেবে কাজ করে।
    5. তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসেবে কাজ করে।

 

সার্চ ইঞ্জিন কি?

 

সার্চ ইঞ্জিন বলতে একটি নিদির্ষ্ট প্রোগ্রামকে বুঝায় যা নিদির্ষ্ট শব্দ বা কিওয়ার্ডের ভিত্তিতে তার সংরক্ষিত বিভিন্ন নথি বা ডকুমেন্টের একটি শ্রেণী বদ্ধ তালিকা তৈরী করে ব্যবহারকারীদের প্রদর্শন করে। বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন বলতে বুঝানো হয় গুগল, ইয়াহু, বিং যা ইন্টারনেটের বিভিন্ন তথ্য খুজে পেতে সহায়তা করে।

 

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে?

 

সার্চ ইঞ্জিনগুলো তৈরি হয়েছে, মানুষের তথ্য খুজে পাওয়ার জন্য। সেজন্য কোন কিছু সার্চ দিলে যাতে সবচাইতে সেরা তথ্য খুজে পাওয়া যায় সেজন্য সার্চইঞ্জিন সাইটগুলো কিছু পোগ্রাম তৈরি করে রাখে। যেটি সকল সাইটগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় তুলনা করে সেরা সাইটগুলোকে সার্চের সামনে নিয়ে আসে। সেরা সাইট নির্বাচন করার জন্য তারা দেখে ওয়েবসাইটটির মানসম্মত কিনা, ওয়েবসাইটের তথ্য সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা, ওয়েভসাইটটি কেমন জনপ্রিয়। এগুলোসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে ফলাফল প্রদর্শন করে। সার্চ ইঞ্জিন কাজ করার ধাপগুলো তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় :

      • ক্রলিং :ইন্টারনেটের কন্টেন্ট গুলো আবিষ্কার করা হয় ক্রলিং এর মাধ্যমে
      • ইনডেক্সিং : কন্টেন্টগুলো বিশাল আকারের ডাটাবেসে জমা ও বিশ্লেষন করা হয়।
      • ফলাফল প্রদর্শন : ব্যবহারকারীর অনুসন্ধানের উপর ভিত্তি করে প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রদর্শন করে।

ক্রলিং :

সার্চ ইঞ্জিনের কাজ শুরু হয় ক্রলিং এর মাধ্যমে। ক্রলিং এর মাধ্যমে সম্পুর্ণ ওয়েবসাইটের একটি লিষ্ট তৈরী করা হয় । স্পাইডার বা রোবট ওয়েব পেজের টাইটেল, ছবি, কিওয়ার্ড, অন্য ওয়েবপেজের লিংক সবকিছুর তালিকা তৈরী করে। তবে আধুনিক ক্রলারগুলো সম্পুর্ণ ওয়েবপেজকেই তার স্মৃতিতে ধারণ করে এর সাথে অতিরিক্ত কিছু বিষয়ের উপর গুরুত্বপ্রদান করে যেমন পেজের লে আউট, বিজ্ঞাপনের স্থান, কোথায় লিংব ব্যবহার করা হয়েছে তা কি প্রবন্ধের মধ্যে নাকি ফুটারে অদৃশ্যভাবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।
ক্রলার প্রতিনিয়ত ওয়েবসাইটকে স্ক্যান করে ফলে নতুন কোন পরিবর্তন আসা মাত্র তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করে নেয়।
ক্রলিং মুলত সাইটের পরিবর্তনের হার , রোবট টেক্সট ফাইলের গঠন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।

ইনডেক্সকরণ :

ক্রলিং এ প্রাপ্ত ডাটা নিদির্ষ্ট ডাটাবেসে সংরক্ষনের প্রক্রিয়ায় ইনডেক্সিং।চিন্তা করুন, আপনি আপনার সকল বই এর একটি লিষ্ট তৈরী করেছেন তাদের লেখকের নাম কত পৃষ্ঠার বই ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রতিটি বই এর লিস্ট তৈরীর জন্য আপনাকে প্রতিটি বই পড়তে হয়েছে যাকে ক্রলিং বলা যেতে পারে এবং সেই বই গুলোর লিষ্ট আপনি যখন লিখে রাখেন সেটা হচ্ছে ইনডেক্সিং।
গুগলের বিশাল ডাটা সেন্টারে এই তথ্য সমুহ সংরক্ষণ করা হয়। যেখানে হাজার হাজার পেটা বাইট ডাটা সংরক্ষিত থাকে

ফলাফল প্রদর্শন

সার্চ ইঞ্জিনের এটিই সর্বশেষ ধাপ। সংরক্ষিত ফলাফল সমুহকে ব্যবহারকারীর অনুসন্ধানের শব্দ অনুসারে প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রদর্শন করে। সার্চ ইঞ্জিনের এই ধাপটি অত্যন্ত জটিল কিন্তু ওয়েব ডেভেলপার বা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ।
দুটি সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে পার্থক্য গড়ে তুলে আই ফলাফল প্রদর্শন পদ্ধিত । প্রত্যেকটি সার্চ ইঞ্জিনের Ranking এর জন্য আলাদা আলাদা এলগরিদম আছে যা প্রত্যেকটি সার্চ ইঞ্জিন গোপন রাখে।
গুগলের এই এলগরিদম তুলনামুলক ভাবে অন্য সার্চ ইঞ্জিন সমুহ থেকে জটিল। গুগলের প্রায় ২০০ এর উপরে বিষয় বিবেচনা করে কোন সাইটকে Ranking করে।

How Search Engine Works?

[wpdevart_youtube]BNHR6IQJGZs[/wpdevart_youtube]

 

সার্চ ইঞ্জিনের ধারণা

 

প্রশ্ন আসতেই পারে,সার্চ ইঞ্জিনের ধারণাটি কার মাথা থেকে উৎপত্তি? মিনিনসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্ক ম্যাকাহিল নামের একজন ছাত্র গফার নামে একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করেন যা টেক্সট ফাইল সমুহ একটি নিদির্ষ্ট ক্রমানুসারে সাজিয়ে রাখবে যা বর্তমানে ইনডেক্স করার সাথে তুলানা করা যেতে পারে এবং পরর্বতীতে খোজ করলে সেখান থেকে তা দেখাবে । ইন্টারনেটে প্রথম সকলের জন্য উন্মুক্ত ওয়েবসাইট তার ই বানানো।

 

আধুনিক সার্চ ইঞ্জিনের ইতিহাস

 

Search Engine বর্তমানে অনেকাংশে পুর্ণতা লাভ করেছে। বর্তমানে আমরা সার্চ ইঞ্জিন বলতে যা বুঝি তার উৎপত্তি হয় ১৯৯৩ সালে। ম্যাথু গ্রে ছিলের প্রখম সার্চ ইঞ্জিনের নির্মাতা । এর নাম ছিল ওয়ানডেক্স । ওয়ানডেক্স ই হচ্ছে প্রথম প্রোগ্রাম যা ইনডেক্স পদ্ধতি চালু করে । এবং ওয়েবে ইনডেক্সকৃত পেজগুলোকে ফলাফলে প্রদর্শন করত।এই পদ্ধতিই সকল সার্চ ইঞ্জিনের মুল ভিত্তি। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সম্ভবত সবগুলো প্রধান সার্চ ইঞ্জিনের উদ্ভব।

 

      • এক্সাইট (Excite) – ১৯৯৩ সাল
      • ইয়াহু (Yahoo)-১৯৯৪ সাল
      • ওয়েব ক্রলার (Web Crawler) – ১৯৯৪ সাল
      • লাইসোস (Lycos) – ১৯৯৪ সাল
      • ইনফোসিক (info seek) – ১৯৯৫ সাল
      • অ্যাল্টা ভিসদা (Alta Vista)- ১৯৯৫ সাল
      • ইঙ্কটোমি (inkTomy) – ১৯৯৬ সাল
      • আস্ক জেভিস (Ask)- ১৯৯৭ সাল
      • গুগল (Google) – ১১৯৭ সাল
      • এমএসএন সার্চ – ১৯৯৮ সাল

 

এছাড়া বর্তমানে অনেক সার্চ ইঞ্জিন আছে। যেমন : DuckDuckgo, Dogpile ইত্যাদি ।

 

সার্চ ইঞ্জিনের প্রকারভেদ

সার্চ ইঞ্জিন সমুহকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্ন ভাবে ভাগ করা যায়।

        • প্রাইমারী
        • সেকেন্ডারি
        • টার্গেটেড

 

সার্চ ইঞ্জিনের এই সকল শ্রেণীবিভাগের মুলে রয়েছে তাদের এলগরিদম বা তাদের কার্যপদ্ধতি।

প্রাইমারি সার্চ ইঞ্জিন (Primary Search Engine)

সার্চ ইঞ্জিনের কথা বললে প্রথম যেসকল সার্চ ইঞ্জিনের নাম আপনার মুখে আসে সেগুলোই হচ্ছে প্রাইমারী সার্চ ইঞ্জিন । যেমন গুগল , ইয়াহু,বিং ইত্যাদি। প্রাইমারী সার্চ ইঞ্জিন থেকেই অধিকাংশ ট্রাফিক আপনার সাইটে প্রবেশ করবে । তাই এসইও এর জন্য সর্বাধিক গুরুত্ব এই সকল সার্চ ইঞ্জিনগুলোকেই দিতে হবে । প্রত্যেকটি সার্চ ইঞ্জিন একটি আর একটি থেকে আলাদা। যেমন লাইসোস গুগলের অনেক আগেই তৈরী। কিন্তু গুগল সার্চ ইঞ্জিন জগতে সর্বাধিক জনপ্রিয়। প্রশ্ন আসতে পারে কেন ? কারণ গুগল সর্বাধিক নিখুত প্রদর্শন করে।
অধিকাংশ প্রাইমারি সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ ফলাফলের ছাড়াও অন্যান্য অনেক সেবা প্রদান করে। যেমন যেমন ইমেইল সেবা, মানচিত্র, সংবাদ ও বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সেবা । এই সেবাগুলো ব্যবহারকারীর সার্চ করার ধরন পাল্টিয়ে দেয় নি কিন্তু ব্যবহারকারীকে নিদির্ষ্ট সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারে উৎসাহিত করেছে।

গুগল (Google)

সার্চ ইঞ্জিনের রাজা বলা যায়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে সর্বাধিক গুরুত্ব পাওয়ার কারণ হচ্ছে সর্বাধিক ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন। আর ব্যবহারকারীর কাছে গুগলের গুরুত্ব পাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে নিখুত ফলাফল। গুগল বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে যেমন ইমেইল , পার্সোনালাইজড হোম পেজ কিন্তু গুগলের জনপ্রিয়তার মুল কারণই হচ্ছে এর সার্চ ফলাফলের বিশ্বস্ততা।
নিজস্ব এলগরিদমের মাধ্যমে গুগল সর্বাধিক নিখুত ফলাফল প্রদর্শন করে। কোন ওয়েবসাইটকে Ranking এ এগিয়ে রাখবে তার জন্য প্রায় গুগলের ২০০ এর অধিক Ranking ফ্যাক্টর রয়েছে। এসব Ranking ফ্যাক্টর নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে।

ইয়াহু (Yahoo)

সার্চ ইঞ্জিনের পাশাপাশি ইয়াহু ওয়েব ডিরেক্টরি। ওয়েব ডিরেক্টরি বলতে সাধারণভাবে বল যায়, বিভিন্ন ওয়েবপেজের লিষ্ট তৈরী করে তাকে বিভিন্ন ক্যাটাগরী ও সাব- ক্যাটাগরীতে বিভিক্ত করে । ইয়াহুর যাত্রা শুরু হয়েছিল ওয়েব ডিরেক্টরি হিসাবেই । সময়ের সাথে All the Web, Altavista, Overture ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিন হিসাবে পরিচিতি লাভ করে ।
জেনে অবাক হবেন , গুগল একসময় ইয়াহুর ডিরেক্টরি ব্যবহার করতো লিংক প্রদর্শনের জন্য। বর্তমানে বিভিন্ন এলগরিদম তৈরীর মাধ্যমে গুগল ইয়াহু এর চেয়েও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

MSN বা Bing

ইয়াহু বা গুগলের মত পুর্ণতা লাভ করে নি এই সার্চ ইঞ্জিনটি । মুলত কিওয়ার্ডের ঘনমাত্রা ও আরও কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে সার্চের ফলাফল প্রদর্শন করে। বিভিন্ন ব্যবহারকারীর পছন্দ বলে এটি প্রাইমারী সার্চ ইঞ্জিনের মত গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সেকেন্ডারী সার্চ ইঞ্জিন

সেকেন্ডারী সার্চ ইঞ্জিন মুলত ছোট ও নিদির্ষ্ট উদ্দ্যেশ্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন লাইসোস (lycos), আস্ক (Ask) (বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি উত্তরের জন্য আস্ক), লুকস্মার্ট (LookSmart) ইত্যাদি ।
অধিকাংশ সেকেন্ডারী সার্চ ইঞ্জিন কিওয়ার্ড , রেসিপ্রোকাল লিংক ও মেটা ট্যাগ সমুহ এর উপর ভিত্তি করে সার্চ ফলাফল প্রদর্শন করে।
সেকেন্ডারী ইঞ্জিন সমুহ এসইও পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে যদিও এই সার্চ ইঞ্জিনসমুহ প্রাইমারী সার্চ ইঞ্জিনের মত এত বেশী ট্রাফিক নিয়ে আসবে না ।
যেমন Aol যদিও অধিকাংশ AOl ব্যবহারকারীদের হারিয়েছে। কিন্তু নিদির্ষ্ট কিছু সংখ্যাক ব্যবহারকারী বিশেষত ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অনেকেই Aol ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করেন ।

টার্গেটেড সার্চ ইঞ্জিন

একেবারে নিদির্ষ্ট কিছু সার্চের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন Yahoo! Travel,মিউসিক সার্চ, আবার ইউটিউব ও বলতে পারেন । শুধু ভিডিও সার্চের জন্য ইউটিউব ।
এই সব সাইট থেকে ট্রাফিক খুব কম আসলেও এই গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। কারণ এই সব সাইট থেকে টার্গেটেড ট্রাফিক আপনার সাইটে আসবে ।আবার কার্যপদ্ধতির উপর নির্ভর করে সার্চ ইঞ্জিনকে ৫ টি ভাগে ভাগ করা যায়।
১. ক্রলার নির্ভর
২. ডাইরেক্টরিস
৩. হাইব্রিড
৪. ম্যাটা
৫. বিশেষায়িত সার্চ ইঞ্জিন

ক্রলার নির্ভর

স্পাইডারস, ক্রলারস, রোবটস অথবা বোট ইত্যাদি হচ্ছে বিশেষ ধরনের এপ্লিকেশন। এই এপ্লিকেশনগুলো প্রতিনিয়ত এক ওয়েবপেজ থেকে অন্য ওয়েবপেজে ঘুরে বেড়ায় এবং ডাটা বা তথ্য সংগ্রহ করে নিদির্ষ্ট শ্রেনীতে সাজিয়ে রাখে। ব্যবহারকারীর কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে সার্চ ফলাফল প্রদর্শন করে। গুগল, আস্ক ইত্যাদি হচ্ছে ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন।

ডাইরেক্টরিস

ডারেক্টরি নির্ভর সার্চ ইঞ্জিনগুলো মুলত বিভিন্ন সাইটের প্রাপ্ত তথ্যকে নিদির্ষ্ট ক্রমানুসারে সজ্জিত রাখে। বুঝার সুবিধার জন্য অনেক ক্ষেত্রে ফোন ডিরেক্টরির সাথে তুলানা করা যেতে পারে। ইয়াহু, ওপেন ডিরেক্টরি (dmoz.org)

হাইব্রিড

যখন ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন এবং ডাইরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন এক সাথে কাজ করে সেটা হচ্ছে হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিন । উদাহরণ হিসাবে : Yahoo, Google.

ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিন

ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিনগুলো অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফলাফল নিয়ে থাকে এবং সকল ফলাফলকে একত্রিত করে ফলাফল দেখায়। ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরন , যেমন –মেটা ক্রলার, ডগপাইল।

স্পেশাল বা বিশেষায়িত সার্চ ইঞ্জিন

স্পেশাল সার্চ ইঞ্জিনের প্রধান কাজ নিশ রিলেটেড সার্চের কাঠামো উন্নত করা। এর সংখ্যা কম নয় বরং অসংখ্য, যেমন –

কেনাকাটার জন্য :

* ফ্রগেল (www.froogle.com)
* ইয়াহু শপিং (www.shopping.yahoo.com)
* বিজরেট (www.bizrate.com)
* প্রাইস গ্রেবার (www.pricegrabber.com)
* প্রাইসস্পাই (www.pricespy.co.nz)

লোকাল সার্চ :

* এনজেডপেজ (www.nzpages.co.nz)
* পিপিলিকা ডোমেইন নেম খোজার জন্য
* আইসার্ভ (www.iserve.co.nz)
* ফ্রি পার্কিং (www.freeparking.co.nz)

ফ্রিওয়্যার ও সফটওয়্যারের জন্য :

* টুকাউস (www.tucows.com)
* সিনেট ডাউনলোড (www.download.com)

 

আপনার মন্তব্য আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূন । তাই আপনার মতামত দিন !!

if you like please share this postShare on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin