১৩ বছরের সিলেটে শিশু হত্যার ভিডিও! সিলেটে ভিডিও ধারণ করে,খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা হলো কিশোর সামিউলকে! | ithelpbd.com
Ithelpbd.com is Bangla Online Tech Community website.

১৩ বছরের সিলেটে শিশু হত্যার ভিডিও! সিলেটে ভিডিও ধারণ করে,খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা হলো কিশোর সামিউলকে!

91 views
if you like please share this postShare on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin

১৩ বছরের সিলেটে শিশু হত্যার ভিডিও! সিলেটে ভিডিও ধারণ করে,খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা হলো কিশোর সামিউলকে!

Sorry We Can Not View This Image.  Loading...

ভিডিও থেকে নেওয়া রাজনকে
নির্যাতনের দৃশ্য

Click Hare To Download

সিলেট ব্যুরো: সিলেটে বারো বছরের
একটি শিশু খুনের ঘটনায় তোলপাড়
চলছে। অমানবিক নির্যাতনের পর
তাকে হত্যা করা হয় এবং সেই হত্যার
দৃশ্য ভিডিও করে রাখে হত্যাকারীরা।
এমনকি হত্যার পূর্বে শিশুটি পানি
খেতে চাইলে তাকে ঘাম খেতে
বলে হত্যাকারীরা।
ভিডিওতে দেখা যায়, বারো বছরের
শিশুটিকে ‘চোর’ বলে পেটাতে
থাকে চার যুবক। তাকে একটি খুঁটির
সঙ্গে বেঁধে বেদম প্রহার করে তারা।
যন্ত্রণায় চিৎকার করে শিশুটি
ভয়ার্তভাবে কাঁদতে থাকে। তাতেও
থামেনা তাদের নির্যাতন। প্রহারের
একপর্যায়ে প্রাণ হারায় শিশুটি।
তাকে হত্যার সেই দৃশ্য এরপর ছেড়ে
দেওয়া ইন্টারনেটে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সিলেট
শহরতলীর কুমারগাঁওয়ে। এরপর শিশুটির
লাশ গুম করার চেষ্টা চালায়
হত্যাকারীরা। কিন্তু লাশ ফেলার সময়
তাদের একজন আটক হয়।
নির্মম নির্যাতনে নিহত শিশুটির নাম
শেখ সামিউল আলম রাজন। সে
কুমারগাঁও বাসস্টেশন সংলগ্ন সিলেট
সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের
বাদেআলী গ্রামের মাইক্রোবাস
চালক শেখ আজিজুর রহমানের ছেলে।
রাজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে নাকি
চুরি করতে গিয়েছিল। এই তুচ্ছ
অভিযোগে বীভৎস নির্যাতন চালিয়ে
শিশুটিকে হত্যা করা হয়। গত বুধবার গুম
করার চেষ্টাকালে উদ্ধার করা হয় শিশু
শেখ সামিউল আলম রাজনের লাশ।
এ ঘটনায় জালালাবাদ থানায় পুলিশ
বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করা
হয়। মামলায় রাজনের লাশ ফেলার সময়
হাতেনাতে আটক মুহিত (২৫) ও তার ভাই
কামরুল ইসলাম (২৪), তাদের সহযোগী
আলী হায়দার (৩৪) ও নৈশপ্রহরী ময়না
মিয়াকে (৪৫) আসামি করা হয়েছে।
নির্যাতনের ভিডিওচিত্রে দেখা
গেছে- চোর সন্দেহে রাজনকে
কুমারগাঁও বাসস্টেশনের একটি
দোকানঘরের বারান্দার খুঁটিতে
বেঁধে রাখে মারধর করা হচ্ছে। প্রায়
১৬ মিনিট রাজনকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে
রোল দিয়ে পেটানো হয়। একপর্যায়ে
মাটিতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে পানি
খাওয়ার আকুতি জানায় রাজন। কিন্তু
পানির বদলে ‘ঘাম খা’ বলে মাটিতেই
ফেলে রাখা হয় তাকে।
নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে অসহায়
ভয়ার্ত শিশুটি যখন চিৎকার করে
কাঁদছিলো, খুনিরা তখন ফেটে পড়ে
অট্টহাসিতে। হাসতে হাসতে
শিশুটিকে নিয়ে তাদের নানা
কটূক্তি করতেও শোনা গেছে। রাজনের
নখে, মাথা ও পেটে রোল দিয়ে
আঘাত করে এক সময় বাঁ হাত ও ডান পা
ধরে মুচড়াতেও দেখা যায়।
একপর্যায়ে কয়েক মিনিটের জন্য
রাজনকে হাতের বাঁধন খুলে রশি
লাগিয়ে হাঁটতে দেওয়া হয়। তবে
তাও সম্ভবতেএটা পরীক্ষা করা জন্য যে
যে কতটা আহত হয়েছে। কারণ, এরপর
‘হাড়গোড় তো দেখি সব ঠিক আছে,
আরও মারো…’ বলে রাজনের বাঁ হাত
খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে আরেকদফা
পেটানো হয়। এসময় চরম নির্যাতনে
শিশুটির শরীর ও চোখ-মুখ বেশ ফোলা
ফোলা হয়ে যায়।
যে ভিডিও ধারণ করার কাজটি করছিল,
তাকে নির্দেশ করে
নির্যাতনকারীরা জানতে চায় –
ঠিকমতো ভিডিও ধারণ হচ্ছে কি-না।
ওপাশ থেকে ‘ফেসবুকে ছাড়ি দিছি,
অখন সারা দুনিয়ার মানুষ দেখব…’ বলতে
শোনা যায়।
শেষ দিকে নির্যাতনকারী একজন
সঙ্গীদের কাছে জানতে চায়- “কিতা
করতাম?” (কি করবো) বলে। অপর একজনকে
তখন “মামায় যে কইছন, ওই কাম করি
ছাড়ি দে!” বলতে শোনা যায়।
জালালাবাদ থানা ওসি আক্তার
হোসেন জানান, এ হত্যার সঙ্গে
মামলার আসামি চারজনই সম্পৃক্ত বলে
ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওচিত্র
ধারণসহ পুরো ঘটনার ব্যাপারে
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুহিতের
বিরুদ্ধে আদালতে ৭ দিনের
রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
রোববার আদালতে রিমান্ড আবেদনের
শুনানি হবে।

আপনার মন্তব্য আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূন । তাই আপনার মতামত দিন !!

if you like please share this postShare on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin