Ithelpbd.com is Bangla Online Tech Community website.

জেনে নিন

হ্যাকিং জগতের রবিনহুড হ্যাকার হামজা বেনডেল্লাজের গল্প!

হ্যাকিং জগতের রবিনহুড হ্যাকার হামজা বেনডেল্লাজের গল্প!

অন‌্যান‌্য, জীবনী, জেনে নিন, নির্বাচিত, হ্যাকিং
আশা করি সবাই ভালো আছেন। অনেকেই এর আগে থেকে ওনার সর্ম্পকে জানেন, তারপরও এটা যারা জানে না এটা তাদের জন্য। আজকে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব হ্যাকিং জগতের রবিনহুড খ্যাত হ্যাকার হামজা বেনডেল্লাজের সাথে। তিনি হ্যাকিং বিশ্বে "BX1" নামে পরিচিত। হামজা বেনডেল্লাজ কি একজন হ্যাকিং জগতের নায়ক নাকি শুধুই একজন সাইবার অপরাধী? হামজা বেনডেল্লাজ SpyEye কম্পিউটার ভাইরাস ব্যবহার করে অমেরিকান ব্যাংক হতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার হ্যাক করে এবং ব্যাংক হতে হ্যাককৃত সব অর্থ তিনি  অসহায় দরিদ্র ফিলিস্তিনদের বিলিয়ে দেন। এজন্য তিনি হ্যাকিং জগতের রবিনহুড নামে সবার কাছে পরিচিত।এখন এটা আপনার চিন্তা ভাবনার উপর নির্ভর করে  যে, হামজা  বেনডেল্লাজ কি আপনার কাছে রবিন হুড নাকি  শুধুই একজন সাইবার অপরাধী? হামজা বেনডেল্লাজ এবং রাশিয়ান কোডফেন্ডেট কে  SpyEye  কম্পিউটার ভাইরাস ব্যবহার এবং অমেরিকান ব্যাংক হতে মিলিয়ন ডলার চুর
আপনি কি ভিডিও গেম খেলেন? তাহলে জেনে নিন ভিডিও গেম খেলার কিছু অদ্ভুত স্বাস্থ্য উপকারীতা!!

আপনি কি ভিডিও গেম খেলেন? তাহলে জেনে নিন ভিডিও গেম খেলার কিছু অদ্ভুত স্বাস্থ্য উপকারীতা!!

অন‌্যান‌্য, জেনে নিন, পিসি গেমস
আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করবো অদ্ভুত কিছু বিষয় নিয়ে। আমরা সবাই কম বেশি ভিডিও গেম খেলে থাকি তো আজকে আমার আলোচনার বিষয় হচ্ছে গেম খেলার কিছু অদ্ভুত স্বাস্থ্য উপকারিতা। আমরা সব সময় শুনতে পাই কিভাবে ভিডিও গেম শিশুদের স্বাস্থ্যর উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। অতিরিক্ত ভিডিও গেম খেলার ফলে শিশুরা শারীরিক এবং মানুষিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের উচিত তাদের এ ভিডিও গেম খেলা থেকে নিরুৎসাহিত করা এবং তারা ভিডিও গেম খেললেও এটা খেলার নিদিষ্ট সময় সীমা বেধে দেওয়া। ভিডিও গেমের অনেক নেগেটিভ ইফেক্ট থাকা স্বতেও আমরা এটা খেলা থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনা। ভিডিও গেম খেলার যতই নেগেটিভ ইফেক্টের কথা বলি না কেন এর অপকারীতার সাথে কিছু উপকারিতাও রয়েছে। ভিডিও গেম খেলা আমাদের শারীরিক, মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। ভিডিও গেম খেলে আমাদের শারীরিক, মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয় তা আমরা অনেকে বুঝতেও পারি না। আসুন
অভ্র এক্সপার্ট – হয়ে যান আপনিও!!

অভ্র এক্সপার্ট – হয়ে যান আপনিও!!

জেনে নিন, নির্বাচিত, সাহায্য/জিজ্ঞাসা
অভ্র ব্যবহার করার সময় অনেকেই অনেক ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। এরকম সমস্যাগুলো সমাধান নিয়েই এই টিউন। মূখ্য যেসকল সমস্যা চোখে পড়ে- অভ্র বেশী জটিল। অভ্র এর ফন্ট অনেক কম। অথবা, অভ্র এর ফন্ট পাল্টানো যায় না। ফটোশপ-এ অভ্র দিয়ে বাংলা লেখা যায় না। আর সঙ্গে কিছু বোনাস- ফেসবুকের লেখা ভাঙ্গা আসে। অথবা, ফেসবুকের লেখা ছোট আসে। অথবা, ফেসবুকের লেখার 'কার'গুলো (া,ি,ী...) আগে পরে আসে। ডিফল্ট ফন্ট পড়া কষ্ট। NCTB-এর PDF পড়তে সমস্যা। অভ্র-তে বিজয় লে-আউট ব্যবহার করা যায় না। আমার নজরে অভ্রকে এড়িয়ে চলার আর কোনো কারণ থাকার কথা নয়। আমি উপরের কারণগুলোকে শুধরে দিচ্ছি। আপনি যদি অন্য কোনো সমস্যার মুখোমুখি হন, তাহলে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানান, আমি তার সমাধান বের করবার পুরো চেষ্টা করবো। অভ্র বেশী জটিল আপনার কাছে আসলেই কী ফোনেটিক টাইপিং কঠিন মনে হয়? আপনি "amar" লিখলে তা "আমার"
জানেন কি নোকিয়া মোবাইল কোম্পানীর আগে কিসের কোম্পানী ছিল কিংবা তাদের কোম্পানী লোগোই বা কেমন ছিল!?

জানেন কি নোকিয়া মোবাইল কোম্পানীর আগে কিসের কোম্পানী ছিল কিংবা তাদের কোম্পানী লোগোই বা কেমন ছিল!?

অন‌্যান‌্য, জেনে নিন, টেক-নিউজ, নোকিয়া
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভাল। আমার ৯৯তম টিউনে আপনাদের স্বাগতম। আজকের টিউনটা একটু সাদামাটা। কিন্তু বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। টিউনটার হেডলাইন দেখেই বুঝতে পেরেছেন টিউনটা কিসের ওপর। হ্যা, আজকের টিউনটা করব নোকিয়া নেটওয়ার্ক এন্ড টেকনলজির লোগোর বিবর্তন এবং এই লোগোর কিছুটা ইতিহাস। নোকিয়া সর্বপ্রথম কাগজের কম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৫ সালে। নামকরণ করা হয় কম্পানির পাশ দিয়ে অতিক্রম করা নদী থেকে। যাই হোক  আমি তো আর নোকিয়ার ইতিহাস নিয়ে আসিনি। আমি নোকিয়া লোগোর বিবর্তন এবং এই লোগোর পেছনের কিছুটা ইতিহাস নিয়ে টিউন করতে এসেছি। তো শুরু করি… ১৮৬৫-১৯৬৫ নোকিয়া প্রতিষ্টিত হওয়ার সময় তার নাম পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর নামে সাথে মিলে রেখে রাখা হয় এবং কম্পানিটির নাম রাখা হয় Nokia Osakeyhtiö। নদীর সাথে নামের মিল থাকায় নদীর মাছ তাদের লোগোতে ধুকে পরে😁। মানে তাদের লোগোতে মাছের মাথার চিহ্ন ব্যবহার করা হ
৬৪-বিট কম্পিউটিং কি? আপনার জন্য সত্যিই কতটা গুরুত্বপূর্ণ? ৬৪-বিট মানেই কি ৩২-বিট থেকে দ্বিগুণ কম্পিউটিং? – মেগাটিউন!

৬৪-বিট কম্পিউটিং কি? আপনার জন্য সত্যিই কতটা গুরুত্বপূর্ণ? ৬৪-বিট মানেই কি ৩২-বিট থেকে দ্বিগুণ কম্পিউটিং? – মেগাটিউন!

কম্পিউটিং, জেনে নিন, টেক-নিউজ, প্রতিবেদন
আজকের সকল মডার্ন কম্পিউটার গুলো ৬৪-বিট কম্পিউটিং সিস্টেম ব্যবহার করে; তার মানে কিন্তু এই নয় যে শুধু নাম্বার বড় হওয়ার কারণে এটি ৩২-বিট কম্পিউটিং থেকে দ্বিগুণ কাজ করতে পারে। এই “বিট” টার্মটি শুধু প্রসেসরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে—কিন্তু একটি কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা যাচায় করার জন্য এর সিপিইউ ক্লক স্পীড, মেমোরি, বিভিন্ন ড্রাইভার ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাহলে ৬৪-বিট আসলে কি? এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো এটি আপনার জন্য কতটা গুরুত্ব রাখে? চলুন বিস্তারিত করে জেনে নেওয়া যাক… ৬৪-বিট কম্পিউটিং কি? কম্পিউটার সাধারনত কোন তথ্যকে বিট আকারে প্রসেস করে। বিট সাধারনত একটি বাইনারি ক্রম যা, জিরো অথবা ওয়ান হতে পারে। কম্পিউটার প্রসেসরে একসাথে অনেক ট্র্যানজিস্টর লাগানো থাকে, যেগুলো অন বা অফ করে জিরো বা ওয়ান সংরক্ষিত বা প্রসেস করানো হয়। অর্থাৎ টেকনিক্যালি আপনার কাছে যতোবেশি জিরো বা ওয়ান বা
সাবধান আপনার কম্পিউটারকেও Ransomware ভাইরাসটি আক্রমণ করতে পারে। যার ফলে আপানাকে গুনতে হবে ৩০০ ডলার!!

সাবধান আপনার কম্পিউটারকেও Ransomware ভাইরাসটি আক্রমণ করতে পারে। যার ফলে আপানাকে গুনতে হবে ৩০০ ডলার!!

অ্যান্টিভাইরাস, ইন্টারনেট, উইন্ডোস, কম্পিউটিং, জেনে নিন, হ্যাকিং
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন। এখন আমাদের ভাল থাকা না  থাকাটা নির্ভর করে আমাদের কম্পিউটার ভাল আছে কিনা তার উপর। যদি কম্পিউটারের কিছু হয় তাইলে তো কথাই নেই মুড এর বারটা কি তেরটা পর্যন্ত বেজে যায় তাই আমরা সবসময় চেষ্টা করি যাতে আমাদের কম্পিউটারটি সবসময় ঠিকভাবে থাকে। কিন্তু অনেক সতর্কতার পরেও ভাইরাস ম্যালওয়ার আক্রমণ করেই থাকে। আমারা কম্পিউটার ভাইরাস বলতে বুঝি এমন সব প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের সাধারন কাজগুলোকে ঠিকভাবে করতে দেয় না। ইউজার এর বিভিন্ন সমস্যার কারণ হয়। কিন্তু আজকে আমি নতুন ধরনের ম্যালওয়ার নিয়ে কথা বলব। যারা ফেসবুক বা বিভিন্ন টেক ফোরামগুলোতে খোজ খবর রাখেন তারা হয়ত বুঝতে পারছেন আমি কি নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি। হা আমি Ransomware নিয়েই কথা বলব। Ransomware কি? Ransom অর্থ মুক্তিপণ। আরে ware হল ম্যালওয়ার এর ware, এর থেকেই বুঝাই যায় যে যে ম্যালওয়ার কোন কিছুর জন্য মুক্তিপণ চায় সেইগুলাই Ra
Facebook এর Theme বা Background পরিবর্তন করবেন কিভাবে।

Facebook এর Theme বা Background পরিবর্তন করবেন কিভাবে।

গুগল ক্রোম, জেনে নিন, টিউটোরিয়াল, ফেসবুক
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আর ভাল থাকুন এটাই কামনা করছি। আমরা যারা Facebook use করি তাদের একটা মজার বিষয় নিয়ে লিখতে বসলাম। আমরা অনেকেই জানি যে ফেসবুকের যে থিম বা ব্যকগ্রাউন্ড আছে তা হয়ত পরিবর্তন করা যায় না। আজ  আমি কিভাবে ফেসবুকের থিম পরিবর্তন করা যায় তা নিয়ে ছোট একটা টিউন করছি। প্রথমে আপনি Google Chrome ব্রাউজার ওপেন করুন। এখন ব্রাউজারের ডান পাশে দেখুন ডট ডট  একটা আইকন আছে। সেখানে ক্লিক করে Settings ক্লিক করুন। এবার দেখুন বাম পাশে Extensions নামে একটা অপশন আছে সেখান থেকে আপনি Stylish নামে একটা Addons ডাউনলোড করুন এবং ইন্সষ্টল করুন। এবার আপনার ফেসবুকে লগইন করুন দেখবেন ডানপাশে একটা Style নামে লগো আসছে। এই লগোতে ক্লিক করে আপনি দেখবে অনেক ডিফল্ট থিম আছে। যে কোন একটি থিম আপনি সিলেক্ট করে ইউজ করতে পারেন। আর ইচ্ছে করলে আপনি বিভিন্ন ধরনের থিম গুগুল থেকে ডাউনলোড ও করে নিতে পারেন।
আপনার ঘরের আয়নাটি যদি রুপকথার আয়নার মত আপনার সাথে কথা বলে এবং আপনার নির্দেশ পালন করে তাহলে কেমন হয়? আসুন পাঠক আমরা সবাই এরকমই একটি রুপকথার সুপার স্মার্ট এবং চমৎকার ডিজাইনের আয়নার সাথে পরিচিত হই!!!!

আপনার ঘরের আয়নাটি যদি রুপকথার আয়নার মত আপনার সাথে কথা বলে এবং আপনার নির্দেশ পালন করে তাহলে কেমন হয়? আসুন পাঠক আমরা সবাই এরকমই একটি রুপকথার সুপার স্মার্ট এবং চমৎকার ডিজাইনের আয়নার সাথে পরিচিত হই!!!!

খবর, জেনে নিন
প্রিয় পাঠক, বর্তমান যুগ হচ্ছে স্মার্ট যুগ কারন বর্তমানে সবকিছু স্মার্ট হয়ে যাচ্ছে (স্মার্ট ফোন, চশমা, ঘড়ি, টিভি, ফ্রিজ, ঘর ইত্যাদি)। কিন্তু একটি অতি প্রয়োজনীয় দৈনন্দিন ব্যবহার্য বস্তু আয়না, যার দিকে একবার না তাকিয়ে কোন মানুষিই থাকতে পারে না সেটি কেন স্মার্ট হতে পারবে না? তাই জার্মানির DIRROR কোম্পানী স্মার্ট আয়নার অভাব মেটাতে বাজারে নিয়ে এসেছে অসাধারন একটি স্মার্ট আয়না এবং তারা দাবি করেছে এটিই বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল আয়না যা কিনা আপনার কন্ঠস্বর দ্বারা পরিচালিত হতে পারে। আর এটি কিন্তু Windows 10 Operating System চালিত একটি সুপার স্মার্ট আয়না। কি পাঠক অবাক হয়েছেন তো, হ্যা অবাক হওয়ারই মত ব্যাপার। তো আসুন এই স্মার্ট আয়নাটিতে কি কি সুবিধা থাকছে একটু জেনে নিই: পাঠক নিচের ছবিগুলোতে দেখুন, কি চমৎকারভাবেই না এই অসাধারন স্মার্ট আয়নাটি ঘরের বিভিন্ন পরিবেশের সাথে মানিয়ে যাচ্ছে!!!
জিমেইল সহ অন্যান্য সার্ভিস একাউন্ট চিরতরে ডিলেট করতে চান? কিন্তু পারছেন না…! তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য!!

জিমেইল সহ অন্যান্য সার্ভিস একাউন্ট চিরতরে ডিলেট করতে চান? কিন্তু পারছেন না…! তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য!!

জেনে নিন
বাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের টিউন। বিভিন্ন ইমেইল একাউন্টের মধ্য আমরা অনেকেই গুগলের জিমেইল ব্যবহার করি। এবং সারা বিশ্বের ইমেইল ইজারের মধ্য গুগলের ইউজার সবচেয়ে বেশী। কারন আপনি যদি একটি জিমেইল একাউন্টের অধিকারী হন তাহলে একই সাথে গুগলের প্রায় ১ ডজন সার্ভিস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। যাইহোক গুগলের পটভূমি নিয়ে অতটা আলোচনা করব না। এবার কাজের কথাতে আসি। গুগল প্রায়ই ইন্টারফেস পরিবর্তন করে বলে অনেকের বিভিন্ন সেটিংস/অপশন খুজেঁ পাইতে সমস্যা হয়। সিকিউরিটি অপশন যোগ, প্রফাইল এডিট করা, কিংবা বিশেষ কারনে জিমেইল একাউন্ট ডিলেট করা ইত্যদি। মূলত যাদের একাধিক জিমেইল একাউন্ট আছে। কিন্তু তেমন একটা ব্যবহার করা  হয়না, অযথা পড়েই থাকে। অপরদিকে একাধিক মেইল মডিফাই ও সিকিউরিটি নিয়ন্ত্রণ করাটাও অনেকের কাছে ঝামেলা মনে হতে পারে। উদাহরন হিসাবে বলছি ব্যক্তিগত আমার প্রায় একাধিক মেইল ছিল তাও প্রায় আজ থেক
অফিসের ভিতরে ভৌতিক কাণ্ড দেখুন সিসি টিভিতে..? ( ভিডিও )

অফিসের ভিতরে ভৌতিক কাণ্ড দেখুন সিসি টিভিতে..? ( ভিডিও )

জেনে নিন
ভিডিওতে দেখুন ব্রিটেনের ম্যানচেস্টার শহরের একটি অফিসের ভিতর ভৌতিক পরিবেশের সিসিটিভি ফুটেজ। কর্মীদের অনুপস্থিতিতে ভিডিওতে অফিসের ভিতর বহু অদ্ভূতুড়ে কাজকর্ম ধরা পড়েছে। নিজে থেকেই নড়াচড়া করছে চেয়ার। হাওয়া ছাড়াই একা একাই উড়ে পড়ে যাচ্ছে দরকারি কাগজ-পত্র। নিজে থেকেই আলো জ্বলছে কম্পিউটারের। ভিডিওতে দেখুন অফিসের ভিতর সেই ভৌতিক পরিবেশের সিসিটিভি ফুটেজ :   এখানে ক্লিক করুন ও আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন। এখানে ক্লিক করুন ও আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন।
পৃথিবীর প্রথম মানুষ, যার মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপিত হবে অন্যের দেহে…?

পৃথিবীর প্রথম মানুষ, যার মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপিত হবে অন্যের দেহে…?

জেনে নিন
চোখের প্রতিস্থাপন। কিডনির প্রতিস্থাপন। হৃদপিণ্ডের প্রতিস্থাপন। চিকিৎসায় একের পর এক ধাপ পেরিয়েছে বিজ্ঞান। বাকি ছিল শুধু মস্তিষ্কের প্রতিস্তাপন। এও কি সম্ভব? চিকিৎসা বিজ্ঞানে আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখাচ্ছে রাশিয়া। ৩০ বছরের ভ্যালারি স্পিরিডিনভের মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপিত হতে চলেছে অন্য মানুষের দেহ। এই দুঃসাহসিক অপারেশনটি হতে চলেছে ২০১৭ সালে। অনেকেই এই প্রতিস্থাপনের সফলতা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন। ‘আদেও কি সফল হবে মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপন’? প্রশ্ন আর বিস্ময় যতই দানা বাধুক, বিজ্ঞানের অগ্রগতির দিকে এই দুঃসাহসিক পদক্ষেপকে কুর্নিশ করছে গোটা বিশ্ব। রাশিয়ার ভ্যালারি স্পিরিডিনভ এখন হফম্যান রোগে আক্রান্ত। মস্তিষ্ক বাদে পুরো দেহটাই অকেজ হয়ে গেছে তাঁর। হুইল চেয়ারে কাটছে জীবন। মৃত্যুর আগে নিজের মস্তিষ্ক দিয়ে যেতে চান অন্যের দেহে। তাঁর এই ইচ্ছেকেই সম্মান জানাতে চলছে পরীক্ষা নিরীক্ষা। সফল কিংবা অসফল, ফলাফল যাই
গোল মরিচের যে ৭টি অভাবনীয় ব্যবহার আপনি একেবারেই জানেন না – !!!

গোল মরিচের যে ৭টি অভাবনীয় ব্যবহার আপনি একেবারেই জানেন না – !!!

জেনে নিন
-গোল মরিচ এটি লতাজাতীয় উদ্ভিদ, ফলকে শুকিয়ে এটি মসলা হিসাবে ব্যবহার করা হয়। প্রাচীনকাল থেকেই রান্নার স্বাদ এবং ঘ্রাণ বাড়াতে গোলমরিচ ব্যবহার করা হলেও গোলমরিচের অন্যরকম কিছু ব্যবহার রয়েছে যা আমাদের অনেকেরই অজানা। গোলমরিচের এমন কিছু ব্যতিক্রমী ব্যবহার সম্পর্কে আজ আপনাদেরকে জানাব। ১। কাপাড়ের রং ধরে রাখে প্রিয় রঙিন কাপড়টির রং নষ্ট হয়ে গেছে? পরতে পারছেন না আর? পরেরবার কাপড়টি ধোঁয়ার সময় এক চামচ গোল মরিচের গুঁড়া দিয়ে দিন ডিটারজেন্টের মধ্যে। এবং দেখুন ম্যাজিক। আপনার কাপড়ের উজ্জ্বলতা ধরে রেখে রঙিন কাপড়কে করবে আরও বেশী রঙিন। ২। কাশি প্রশমিত করে থাকে ঠান্ডা, কাশি দূর করতে আমরা আদা, লবঙ্গের ব্যবহার সম্পর্কে জানি। কিন্তু গোলমরিচও অনেক ভাল কাশি উপশমকারী। চীনে চায়ের সঙ্গে গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করা হয় ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচার জন্য। ১ টেবিল চামচ গোলমরিচের গুঁড়া, ২ টেবিল চামচ মধু এক কাপ পানির মধ্য
অদ্ভুত সুন্দর যে মন্দিরগুলো রয়ে গেছে লোকচক্ষুর আড়ালে !!!

অদ্ভুত সুন্দর যে মন্দিরগুলো রয়ে গেছে লোকচক্ষুর আড়ালে !!!

জেনে নিন
ঘুরতে যাবেন বাইরে কোথাও। অথচ পছন্দ হচ্ছেনা কোন জায়গাই। ভাবছেন একটু যদি অন্যরকম কোথাও যাওয়া যেত। যেখানে ভীড় কম, অথচ সুন্দরের অভাব নেই! কিন্তু এমন কোনো স্থান কি আছে? সব পর্যটনস্থলেই তো সবসময়ে মানুষের সমারোহ লেগেই থাকে। আপনার জন্যেই দেওয়া হল এমন কিছু মন্দিরের কথা যেগুলোর অসাধারন সৌন্দর্য মোহিত করবে আপনাকে। পর্যটনস্থল হিসেবে আদর্শ যেগুলো। অথচ খুব কম মানুষই জানে এরকম জায়গাও আছে পৃথিবীর বুকে। ১. দেন্দুরের মন্দির দেন্দুরের মন্দির এখন থেকে অনেক অনেক আগে ১৫ বি.সি.তে মিশরের বুকে তৈরি করেছিলেন অগাস্টাস সীজার। নীলের পাশে ছিল মন্দিরটি। মিশরের অন্যতম শহর তুতজিসের ঠিক কাছেই। দেবী আইসিস ও আরো দুজন দেব-দেবীর প্রতীক এই মন্দির রোমানদের যুদ্ধসময়ের সাহায্যকারী নিউবিয়ান প্রধানের দুই ছেলে পিটিস ও পিহোরকেও মনে করিয়ে দেয়। তবে এখন আর মিশরের মন্দিরটি নেই। হয়ে গিয়েছে আমেরিকার। ভাবছেন কি করে? অনেক বছরের পথ অতিক্রম ক
কিভাবে বুঝবেন যে আপনি যে ডিমটি খাচ্ছেন তা কৃত্রিম ডিম নয়? – একটি জনসচেতনতা মুলক টিউন

কিভাবে বুঝবেন যে আপনি যে ডিমটি খাচ্ছেন তা কৃত্রিম ডিম নয়? – একটি জনসচেতনতা মুলক টিউন

খবর, জেনে নিন
আপনি শুনে অবাক হবেন যে, আপনি যে ডিম ভেজে/সিদ্ধ করে খাচ্ছেন তা কৃত্রিম ডিম ও হতে পারেন যা কিনা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। বাজারে নকল/ কৃত্রিম ডিমে সয়লাব হয়ে গেছে, কিন্তু, আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনার কেনা ডিমটি আসল ডিম-নকল ডিম নয়? আসুন আমরা জানি এবং সচেতন হই এ থেকে। এই কৃত্রিম ডিমটিকে অনেকে বলেন – ফেক ডিম, প্লাস্টিক ডিম, কেমিক্যাল ডিম, চায়না ডিম ইত্যাদি। আসুন, প্রথমে আমরা জানি যে, একটা ডিমের কয়টা অংশ থাকে। একটা ডিমের তিন অংশ-ডিমের খোসা, ডিমের সাদা অংশ, ডিমের কুসুম। এই তিনটি অংশ হুবুহু তৈরি করা যাচ্ছে কেমিক্যাল দিয়ে। সাধারণতঃ কৃত্রিম ডিমের খোসাটি তৈরি করা হয় ক্যালসিয়াম কারবনেট দিয়ে, ডিমের হলুদ ও সাদা অংশের মুল উপাদান সোডিয়াম এলজিনেট, এলাম, গিলেটিন এবং খাদ্য লবন এবং ডিমের কুসুমের কালারের জন্য কমলা হলুদ ফুড কালার। কিভাবে তৈরি করা হয় কৃত্রিম ডিমঃ প্রথমে গরম পানির
আজব ফলে ৫ মিনিটেই সেরে যাবে ক্যান্সার, দাবি বিজ্ঞানীদের…?

আজব ফলে ৫ মিনিটেই সেরে যাবে ক্যান্সার, দাবি বিজ্ঞানীদের…?

জেনে নিন
আজব ফলে ৫ মিনিটেই সেরে যাবে ক্যান্সার, দাবি বিজ্ঞানীদের   সন্ধান মিলেছে আজব এক ফলের। যে ফল খেলে ৫ মিনিটেই ধ্বংস হয়ে যাবে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগ! এ দাবি অস্ট্রেলীয়ার বিজ্ঞানীদের। অস্ট্রেলীয়ার গবেষকরা আবিষ্কার করেছন ক্যান্সার-বিরোধী ফল। অস্ট্রেলীয়ার একাংশের গাছে পাওয়া যায় এই ফল, দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই ফল দেখে রীতিমত বিস্মিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর ধরে গবেষণা চালানোর পর ব্রিসবেনের একটি ইন্সটিটিউট এই আজব ফল আবিষ্কার করেছেন। এই আজব ফলে রয়েছে ঘাড় ও মাথার টিউমার ধ্বংস করার এক আশ্চর্য ক্ষমতা। এ পর্যন্ত এই ফল হতে তৈরি একটি ওষুধ ৩শ’ টি প্রাণীর ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রে টিউমার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ফল হতে ওষুধ তৈরি করা কঠিন এবং বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে এই ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে এই